কওমে লূত-এর বর্ণিত ধ্বংসস্থলটি বর্তমানে ‘বাহরে মাইয়েত বা ‘বাহরে লূত অর্থাৎ ‘মৃত সাগর বা ‘লূত সাগর নামে খ্যাত। যা ফিলিস্তীন ও জর্ডান নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে বিশাল অঞ্চল জুড়ে নদীর রূপ ধারণ করে আছে। যেটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে বেশ নীচু। এর পানিতে তৈলজাতীয় পদার্থ বেশী। এতে কোন মাছ, ব্যাঙ এমনকি  কোন জলজ প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে না। এ কারণেই একে ‘মৃত সাগর বা ‘মরু সাগর বলা হয়েছে। সাদূম উপসাগর বেষ্টক এলাকায় এক প্রকার অপরিচিত বৃক্ষ ও উদ্ভিদের বীজ পাওয়া যায়, সেগুলো মাটির স্তরে স্তরে সমাধিস্থ হয়ে আছে। সেখানে শ্যামল-তাজা উদ্ভিদ পাওয়া যায়, যার ফল কাটলে তার মধ্যে পাওয়া যায় ধূলি-বালি ও ছাই। এখানকার মাটিতে প্রচুর পরিমাণে গন্ধক পাওয়া যায়। Natron ও পেট্রোল তো আছেই। এই গন্ধক উল্কা পতনের অকাট্য প্রমাণ। আজকাল সেখানে সরকারী প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের পক্ষ হ’তে পর্যটকদের জন্য আশপাশে কিছু হোটেল-রেস্তোঁরা গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু এ ঘটনা থেকে শিক্ষা হাছিলের জন্য কুরআনী তথ্যাদি উপস্থাপন করে বিভিন্ন ভাষায় উক্ত ঘটনা লিপিবদ্ধ করে তা থেকে উপদেশ গ্রহণের জন্য পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করাই হত সবচাইতে জরূরী বিষয়।  আজকের এইড্স আক্রান্ত বিশ্বের নাফরমান রাষ্ট্রনেতা, সমাজপতি ও বিলাসী ধনিক শ্রেণী তা থেকে শিক্ষা গ্রহণে সক্ষম হত। কেননা এগুলি মূলতঃ মানুষের জন্য শিক্ষাস্থল হিসাবে আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত হয়েছে। যেমন আল্লাহ বলেন,

নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন সমূহ রয়েছে চিন্তাশীলদের জন্য’ … এবং বিশ্বাসীদের জন্য (হিজর ১৫/৭৫, ৭৭)। একই ঘটনা বর্ণনা শেষে অন্যত্র তিনি বলেন, ‘জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য আমরা অত্র ঘটনার মধ্যে স্পষ্ট নিদর্শন রেখে দিয়েছি (আনকাবূত ২৯/৩৫)।

আল্লাহর নবী লূত আঃ এর অন্যান্য ঘটনা পড়ুনঃ

হযরত লূত আঃ এর পরিচয়

লূত (আঃ)-এর দাওয়াত

লূত (আঃ)-এর দাওয়াতের ফলশ্রুতি

লূত আঃ এর কওমের উপর আল্লাহর গযবের বিবরণ

লূত আঃ এর কওমের মুক্তিপ্রাপ্ত লোকদের সংখ্যা

লূত আঃ এর ঘটনা থেকে শিক্ষণীয় বিষয় সমূহ

অন্যান্য নবীদের কাহিনী পড়ুন

•  হযরত আদম (আঃ)

•  হযরত ইদ্রিস (আঃ)

•  হযরত ইব্রাহিম (আঃ)

•  হযরত নূহ (আঃ)

•  হযরত সালিহ্ (আঃ)

•  হযরত হুদ (আঃ)

হযরত ইয়াকুব (আঃ)

হযরত ইসমাইল (আঃ)

হযরত ইসহাক (আঃ)